100% কমন Exam সাজেশন

Read now!

লোড হচ্ছে...

যোজক কলা - কাকে বলে?, বৈশিষ্ট্য, এর কাজ

নমস্কার স্বাগত আপনাকে বিজ্ঞানবুকে। এই আর্টিকেলে আমরা যোজক কলা থেকে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে জানবো। যার মধ্যে রয়েছে যোজক কলার সংজ্ঞা, যোজক কলার বৈশিষ্ট্য, যোজক কলার কাজ। মনে রাখবে, যোজক কলা এবং যোগ কলা একই।

যোগ কলা বা যোজক কলা শরীরের অন্যান্য বিভিন্ন কলা সমূহের রক্ষা, তাদের মেরামত এবং কলা গঠন করে। যোগ কলা অন্যান্য কলার মধ্যে এবং বিভিন্ন অঙ্গসমূহে পুষ্টি এবং অন্যান্য পদার্থ সরবরাহ করে। যোগ কলা বা যোজক কলা কলাকোশ, ফাইবার এবং জেলের মতো পদার্থ দিয়ে গঠিত।


যোজক কলা - কাকে বলে?, বৈশিষ্ট্য, এর কাজ


যোজক কলা কাকে বলে ?

যে কলা দেহের বিভিন্ন কলা ও অঙ্গসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাকে যোজক কলা বা যোগ কলা বলে। 


যোজক কলার বৈশিষ্ট্য 

  1. যোজক কলা আদি ভ্রূণের মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন হয়।
  2. যোজক কলার ধাত্রের পরিমাণ বেশি এবং কোশের সংখ্যা কম।
  3. যোজক কলার অন্তঃকোশীয় পদার্থ - তরল, অর্ধ কঠিন বা কঠিন হতে পারে। 
  4. যোজক কলার অন্তঃকোশীয় পদার্থে বিভিন্ন প্রকারের তন্তু জাতীয় উপাদান থাকতে পারে।

যোজক কলার কাজ বা যোগ কলার কাজ

  1. যোজক কলা বিভিন্ন কলার একত্রে বন্ধন ঘটায় এবং যথাযথ অবস্থান বজায় রাখে।
  2. যোজক কলা বিভিন্ন মৃত এবং বিনষ্টকলাকে প্রতিস্থাপিত করতে সাহায্য করে। পুনরুৎপাদন এবং কলা মেরামতিতেও সাহায্য করে।
  3. যোজক কলা দেহের প্রতিরক্ষায় সাহায্য করে। দেহে কোনো জীবাণু প্রবেশ বা বিষাক্ত বস্তু থেকে দেহকে রক্ষা করে। 
  4. যোজক কলা দেহ ধারণ বা অবলম্বন করার জন্য কঙ্কাল তৈরি করে। 
  5. যোজক কলায় জেলির মতো ধাত্র রয়েছে যা, ঘাত প্রসমক (shock absorber) হিসেবে কাজ করে।
  6. দেহের কোনো কোনো অংশে ফ্যাট সঞ্চয় সাহায্য করে।


যোগ কলা সম্পর্কিত রোগব্যাধি

যোগ কলা বা যোজক কলা সম্পর্কিত রোগ ব্যাধি জিনের মিউটেশন বা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ত্রুটিপূর্ণ জিনের কারণে হতে পারে।

এই সম্পর্কিত দুটি জিনগত ব্যধি হলো epidermolysis bullosa (EB) এবং Marfan syndrome.

এছাড়া যোগ কলা সম্পর্কিত অন্যান্য রোগ গুলি অনাক্রম্যতন্ত্রের আক্রমণের মাধ্যমে ঘটে, যখন অনাক্রম‌্য তন্ত্র সুস্থ কলা গুলিকে আক্রমণ করে তখন নীচের এই সমস্ত রোগ গুলির সূত্রপাত ঘটে।

1. The systemic lupus erythematosus (SLE)

      এটি ত্বক এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলির একটি প্রদাহজনিত ব্যাধি। শরীরের অনাক্রম্য তন্ত্র তার নিজস্ব কলাকে আক্রমণ করতে শুরু করে। এর লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর, ফোলা এবং ব্যথাযুক্ত অস্থিসন্ধি, মুখের আলসার, চুল পড়া, প্রজাপতির ন্যায় ফুসকুড়ি ইত্যাদি।

2. Rheumatoid arthritis (RA)

     এই রোগের ফলে অস্থিসন্ধি গুলি ক্ষতিগ্রস্ত এবং বিকৃত হয়। অনাক্রম্য তন্ত্র যখন সাইনোভিয়াম -কে আক্রমণ করে তখন এই রোগের সৃষ্টি হয়।

Post a Comment (0)
⚠️
AdBlocker Detected
We noticed that you are using an AdBlocker.

Our website is free to use, but we need ads to cover our server costs. Please disable your AdBlocker and reload the page to continue reading.

My Favorites

Post Saved to Favorite list!
সাজেশন