Full Syllabus Mock Test - Free Set 2
Presented by: Bigyanbook
সময়: ৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট | পূর্ণমান: ৯০
(প্রথম ১৫ মিনিট শুধুমাত্র প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য)
প্রশ্নপত্র (Question Paper)
বিভাগ - ক
১। প্রতিটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে তার ক্রমিক সংখ্যাসহ বাক্যটি সম্পূর্ণ করে লেখো: (১x১৫=১৫)
১.১ বীজ ও মুকুলের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে অঙ্কুরোদ্গমে সাহায্য করে কোন হরমোন?
(ক) অক্সিন (খ) জিব্বেরেলিন (গ) সাইটোকাইনিন (ঘ) ইথিলিন
১.২ মানবদেহে 'আপৎকালীন হরমোন' বা 'জরুরি হরমোন' নামে পরিচিত—
(ক) থাইরক্সিন (খ) ইনসুলিন (গ) অ্যাড্রিনালিন (ঘ) টেস্টোস্টেরন
১.৩ মানব চক্ষুর যে অংশে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়, তা হলো—
(ক) কর্নিয়া (খ) লেন্স (গ) রেটিনা (ঘ) আইরিস
১.৪ মায়োসিস কোশ বিভাজনের কোন দশায় ক্রসিং ওভার ঘটে?
(ক) প্রোফেজ-I (খ) মেটাফেজ-I (গ) অ্যানাফেজ-I (ঘ) টেলোফেজ-I
১.৫ হাইড্রো (Hydra) বা ইস্ট কী পদ্ধতিতে অযৌন জনন সম্পন্ন করে?
(ক) খণ্ডীভবন (খ) কোরকোদ্গম বা বাডিং (গ) রেণু উৎপাদন (ঘ) পুনরুৎপাদন
১.৬ বায়ুর সাহায্যে পরাগযোগ ঘটে যে উদ্ভিদে, তা হলো—
(ক) ধান (খ) আম (গ) পাতাঝাঁজি (ঘ) শিমুল
১.৭ মেন্ডেলের একসংকর জনন পরীক্ষায় F2 জনুতে জিনোটাইপিক অনুপাত কত?
(ক) ৩:১ (খ) ১:২:১ (গ) ৯:৩:৩:১ (ঘ) ১:১
১.৮ মানুষের একটি গ্যামেটে (শুক্রাণু বা ডিম্বাণু) অটোজোমের সংখ্যা হলো—
(ক) ২২ জোড়া (খ) ২২টি (গ) ২৩টি (ঘ) ৪৪টি
১.৯ রয়্যাল ডিজিজ (Royal disease) বা ব্লিডার্স ডিজিজ বলা হয় কোন রোগকে?
(ক) থ্যালাসেমিয়া (খ) বর্ণান্ধতা (গ) হিমোফিলিয়া (ঘ) ক্যানসার
১.১০ সরীসৃপ ও পক্ষী শ্রেণীর মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী প্রাণীটি (Missing link) হলো—
(ক) পেরিপেটাস (খ) আর্কিওপটেরিক্স (গ) প্লাটিপাস (ঘ) লাং ফিস
১.১১ "অরিজিন অব স্পিসিস বাই মিনস অব ন্যাচারাল সিলেকশন" - গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
(ক) ল্যামার্ক (খ) চার্লস ডারউইন (গ) মেন্ডেল (ঘ) হ্যালডেন
১.১২ লবণাক্ত মাটিতে শ্বাসকার্যের জন্য শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর দেখা যায়—
(ক) পদ্ম গাছে (খ) ক্যাকটাসে (গ) সুন্দরী গাছে (ঘ) পাইন গাছে
১.১৩ নাইট্রোজেন চক্রের কোন ধাপে নাইট্রেট লবণ থেকে পুনরায় নাইট্রোজেন গ্যাস বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়?
(ক) নাইট্রিফিকেশন (খ) অ্যামিনিফিকেশন (গ) ডিনাইট্রিফিকেশন (ঘ) নাইট্রোজেন আবদ্ধকরণ
১.১৪ পারদ (Mercury) দূষণের ফলে মানবদেহে সৃষ্ট রোগটি হলো—
(ক) ব্ল্যাকফুট ডিজিজ (খ) মিনামাটা (গ) ইটাই-ইটাই (ঘ) ডিসলেক্সিয়া
১.১৫ ভারতের একটি উল্লেখযোগ্য জীববৈচিত্র্য হটস্পট (Biodiversity hotspot) হলো—
(ক) থর মরুভূমি (খ) পশ্চিমঘাট পর্বতমালা (গ) গাঙ্গেয় সমভূমি (ঘ) কচ্ছের রান
বিভাগ - খ
২। নিচের ২৬টি প্রশ্ন থেকে নির্দেশ অনুসারে ২১টি প্রশ্নের উত্তর লেখো: (১x২১=২১)
নিচের বাক্যগুলির শূন্যস্থানে উপযুক্ত শব্দ বসাও (যে কোনো পাঁচটি): (১x৫=৫)
২.১ দুটি নিউরোনের সংযোগস্থলকে _________ বলে।
২.২ DNA-এর গঠনগত একক হলো _________।
২.৩ কোনো জীবের জিনের বাহ্যিক প্রকাশকে ওই জীবের _________ বলে।
২.৪ "ব্যক্তিজনি জীবজনিকে পুনরাবৃত্তি করে" (Ontogeny recapitulates phylogeny) - এই বায়োজেনেটিক সূত্রের প্রবক্তা হলেন বিজ্ঞানী _________।
২.৫ রেফ্রিজারেটর এবং এসিতে ব্যবহৃত _________ গ্যাস ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধানত দায়ী।
২.৬ গুজরাটের গির (Gir) অরণ্য _________ সংরক্ষণের জন্য বিখ্যাত।
নিচের বাক্যগুলি সত্য অথবা মিথ্যা নিরূপণ করো (যে কোনো পাঁচটি): (১x৫=৫)
২.৭ মায়োপিয়া বা নিকট-দৃষ্টি ত্রুটি সংশোধনের জন্য উত্তল লেন্স যুক্ত চশমা ব্যবহার করা হয়।
২.৮ রেণু উৎপাদন (Spore formation) হলো এক প্রকার অযৌন জনন পদ্ধতি।
২.৯ মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণে মাতার কোনো ভূমিকাই থাকে না।
২.১০ তিমির ফ্লিপার এবং মানুষের হাত হলো সমবৃত্তীয় অঙ্গের উদাহরণ।
২.১১ অ্যাজমা বা হাঁপানি হলো বায়ুদূষণের ফলে সৃষ্ট একটি শ্বাসকার্য জনিত রোগ।
২.১২ WWF-এর পুরো নাম হলো World Wildlife Fund।
A-স্তম্ভের সঙ্গে B-স্তম্ভের সম্পর্ক স্থাপন করে লেখো (যে কোনো পাঁচটি): (১x৫=৫)
| A - স্তম্ভ | B - স্তম্ভ |
|---|---|
| ২.১৩ সাইটোকাইনিন | (ক) ক্রোমোজোমগুলি কোশের বিষুব অঞ্চলে অবস্থান করে |
| ২.১৪ মেটাফেজ | (খ) ওপারিন |
| ২.১৫ টেস্ট ক্রস | (গ) একশৃঙ্গ গন্ডার সংরক্ষণ |
| ২.১৬ কোয়াসারভেট | (ঘ) পত্রমোচন বিলম্বিত করে বা বার্ধক্য রোধ করে |
| ২.১৭ BOD | (ঙ) F1 জনুর জীবের সাথে প্রচ্ছন্ন জনিতৃর সংকরায়ণ |
| ২.১৮ কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান | (চ) জলদূষণের মাত্রা পরিমাপ |
একটি শব্দে বা একটি বাক্যে উত্তর দাও (যে কোনো ছটি): (১x৬=৬)
২.১৯ বিসদৃশ শব্দটি বেছে লেখো: TSH, ACTH, STH, টেস্টোস্টেরন।
২.২০ নিউরোনের অ্যাক্সনে উপস্থিত মায়োলিন শিথ (Myelin sheath)-এর একটি কাজ লেখো।
২.২১ সম্পর্ক বুঝে শূন্যস্থান পূরণ করো: প্রোফেজ : নিউক্লিয় পর্দার অবলুপ্তি :: টেলোফেজ : _________।
২.২২ বিশুদ্ধ হলুদ ও গোল বীজযুক্ত মটর গাছের জিনোটাইপ (YYRR) হলে, সংকর হলুদ ও গোল বীজযুক্ত মটর গাছের জিনোটাইপ কী হবে?
২.২৩ বিবর্তনের যে প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ ভিন্ন উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীব একই পরিবেশে থাকার জন্য সদৃশ বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য লাভ করে, তাকে কী বিবর্তন বলে?
২.২৪ পায়রার প্রধান শ্বাস অঙ্গটির নাম কী?
২.২৫ নিচের চারটি বিষয়ের মধ্যে তিনটি একটি বিষয়ের অন্তর্গত, সেটি খুঁজে বার করো: ভাসমান কণা (SPM), বায়ুদূষণ, অম্লবৃষ্টি, ধোঁয়াশা।
২.২৬ IUCN-এর পুরো নাম লেখো।
বিভাগ - গ
৩। নিচের ১৭টি প্রশ্ন থেকে যে কোনো ১২টি প্রশ্নের উত্তর ২-৩টি বাক্যে লেখো: (২x১২=২৪)
৩.১ স্নায়ুতন্ত্র ও অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের (হরমোন) দুটি কার্যকরী পার্থক্য লেখো।
৩.২ পিটুইটারি গ্রন্থিকে 'প্রভু গ্রন্থি' বা Master Gland বলা হয় কেন?
৩.৩ মানুষের চোখে 'অন্ধবিন্দু' (Blind spot) কী?
৩.৪ কোশে DNA-এর প্রধান দুটি কাজ উল্লেখ করো।
৩.৫ মায়োসিস বিভাজনে ক্রসিং ওভার (Crossing over)-এর গুরুত্ব কী?
৩.৬ ইতর পরাগযোগের দুটি সুবিধা লেখো।
৩.৭ ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
৩.৮ অসম্পূর্ণ প্রকটতা (Incomplete dominance) কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
৩.৯ মেন্ডেলের 'স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র' (Law of Independent Assortment) বিবৃত করো।
৩.১০ নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বা ভেস্টিজিয়াল অঙ্গ কাকে বলে? মানুষের একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গের নাম লেখো।
৩.১১ জরায়ুজ অঙ্কুরোদ্গম (Viviparous germination) কী? এটি কেন দেখা যায়?
৩.১২ ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বে 'অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম' (Struggle for existence) বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
৩.১৩ জৈব বিবর্ধন বা বায়োম্যাগনিফিকেশন (Biomagnification) বলতে কী বোঝো?
৩.১৪ মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর শব্দদূষণের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।
৩.১৫ জীববৈচিত্র্য হটস্পট (Biodiversity hotspot) নির্ধারণের দুটি শর্ত কী কী?
৩.১৬ ব্যাঘ্র প্রকল্প বা Project Tiger-এর দুটি প্রধান উদ্দেশ্য লেখো।
৩.১৭ বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ (Biosphere Reserve)-এর কোর অঞ্চল (Core zone) এবং বাফার অঞ্চল (Buffer zone) বলতে কী বোঝো?
বিভাগ - ঘ
৪। নিচের ৬টি প্রশ্ন বা তার বিকল্প প্রশ্নের উত্তর লেখো: (৫x৬=৩০)
৪.১ মানুষের অক্ষিগোলকের লম্বচ্ছেদের একটি পরিচ্ছন্ন চিত্র অঙ্কন করো এবং নিম্নলিখিত অংশগুলি চিহ্নিত করো: (ক) কর্নিয়া (খ) রেটিনা (গ) লেন্স (ঘ) অপটিক স্নায়ু। (৩+২=৫)
অথবা,
একটি প্রাণী কোশের মাইটোসিস কোশ বিভাজনের মেটাফেজ দশার পরিচ্ছন্ন চিত্র অঙ্কন করো এবং নিম্নলিখিত অংশগুলি চিহ্নিত করো: (ক) বেমতন্তু (খ) সেন্ট্রোমিয়ার (গ) ক্রোমাটিড (ঘ) সেন্ট্রিওল (অ্যাস্ট্রাল রশ্মি)। (৩+২=৫)
৪.২ উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রণে অক্সিন, জিব্বেরেলিন এবং সাইটোকাইনিন হরমোনের একটি করে প্রধান কাজ আলোচনা করো। সাইন্যাপস (Synapse) কাকে বলে? (৩+২=৫)
অথবা,
একটি ইউক্যারিওটিক কোশচক্রের (Cell cycle) বিভিন্ন দশাগুলি সংক্ষেপে বর্ণনা করো। G0 দশা কী? (৩+২=৫)
৪.৩ গিনিপিগের গায়ের রঙের ওপর ভিত্তি করে একটি একসংকর জনন পরীক্ষা চেকার বোর্ডের সাহায্যে দেখাও (বিশুদ্ধ কালো ও বিশুদ্ধ সাদা)। এই পরীক্ষা থেকে মেন্ডেলের কোন্ সূত্রে উপনীত হওয়া যায়? (৩+২=৫)
অথবা,
মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি একটি ক্রসের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো। কন্যাসন্তান বা পুত্রসন্তান জন্মানোর ক্ষেত্রে পিতার ভূমিকাই যে প্রধান, তা বুঝিয়ে লেখো। (৩+২=৫)
৪.৪ ঘোড়ার জীবাশ্মের ধারাবাহিক পরিবর্তনের ইতিহাস বর্ণনা করো (আদিমতম পূর্বপুরুষ থেকে আধুনিক ঘোড়া পর্যন্ত)। (৫)
অথবা,
জিরাফের গলা লম্বা হওয়ার সাপেক্ষে ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বটি ব্যাখ্যা করো। সমসংস্থ ও সমবৃত্তীয় অঙ্গের দুটি পার্থক্য লেখো। (৩+২=৫)
৪.৫ জলদূষণের প্রধান তিনটি কারণ আলোচনা করো। শৈবাল ব্লুম বা অ্যালগাল ব্লুম (Algal bloom) বলতে কী বোঝো? (৩+২=৫)
অথবা,
প্রকৃতিতে নাইট্রোজেন চক্রে বিভিন্ন অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা পর্যায়ক্রমে আলোচনা করো। (৫)
৪.৬ জীববৈচিত্র্য হ্রাসের বা বিলুপ্তির প্রধান তিনটি কারণ উপযুক্ত উদাহরণসহ আলোচনা করো। ভারতের দুটি বিপন্ন প্রাণীর নাম লেখো। (৩+২=৫)
অথবা,
ন্যাশনাল পার্ক (জাতীয় উদ্যান) এবং স্যাংচুয়ারি (অভয়ারণ্য)-এর মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে PBR-এর গুরুত্ব কী? (৩+২=৫)
🔥 মাধ্যমিক ২০২৭ - ১০০% কমনযোগ্য প্রিমিয়াম সাজেশন 🔥
তুমি কি জীবন বিজ্ঞানে ৯০+ স্কোর করতে চাও?
এখানে দেওয়া Free Set 1 ও Set 2 এর মতোই আরও ১০টি Premium Set (সম্পূর্ণ উত্তরসহ PDF) আমরা Bigyanbook-এর তরফ থেকে তৈরি করেছি!
- ✅ অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা যত্ন সহকারে প্রস্তুত।
- ✅ পরীক্ষায় ঠিক যেভাবে লিখতে হবে, সেইভাবে সাজানো উত্তরমালা।
- ✅ বিগত বছরের প্রশ্নের প্যাটার্ন ও নতুন সিলেবাস অনুযায়ী ১০০% কমন আসার সম্ভাবনা।
আজই এই ১০টি সেটের PDF সংগ্রহ করে নিজের প্রস্তুতিকে সেরা করে তোলো!
📲 PDF টি কিনতে WhatsApp করুনWhatsApp Number: +91 74394 55393
উত্তরমালা (Answer Key) - Free Set 2
বিভাগ - ক
১.১ (খ) জিব্বেরেলিন
১.২ (গ) অ্যাড্রিনালিন
১.৩ (গ) রেটিনা
১.৪ (ক) প্রোফেজ-I (প্যাকাইটিন উপদশায়)
১.৫ (খ) কোরকোদ্গম বা বাডিং
১.৬ (ক) ধান
১.৭ (খ) ১:২:১
১.৮ (খ) ২২টি
১.৯ (গ) হিমোফিলিয়া
১.১০ (খ) আর্কিওপটেরিক্স
১.১১ (খ) চার্লস ডারউইন
১.১২ (গ) সুন্দরী গাছে
১.১৩ (গ) ডিনাইট্রিফিকেশন
১.১৪ (খ) মিনামাটা
১.১৫ (খ) পশ্চিমঘাট পর্বতমালা
বিভাগ - খ
শূন্যস্থান পূরণ:
২.১ সাইন্যাপস বা প্রান্তসন্নিকর্ষ।
২.২ নিউক্লিওটাইড।
২.৩ ফিনোটাইপ।
২.৪ আর্নস্ট হেকেল (Ernst Haeckel)।
২.৫ CFC (ক্লোরোফ্লুরোকার্বন)।
২.৬ এশিয়াটিক সিংহ (Lion)।
সত্য/মিথ্যা:
২.৭ মিথ্যা (অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়)।
২.৮ সত্য।
২.৯ সত্য (মাতার কেবল X ক্রোমোজোম থাকে)।
২.১০ মিথ্যা (এগুলি সমসংস্থ অঙ্গের উদাহরণ)।
২.১১ সত্য।
২.১২ সত্য।
A ও B স্তম্ভ মেলানো:
২.১৩ সাইটোকাইনিন — (ঘ) পত্রমোচন বিলম্বিত করে বা বার্ধক্য রোধ করে
২.১৪ মেটাফেজ — (ক) ক্রোমোজোমগুলি কোশের বিষুব অঞ্চলে অবস্থান করে
২.১৫ টেস্ট ক্রস — (ঙ) F1 জনুর জীবের সাথে প্রচ্ছন্ন জনিতৃর সংকরায়ণ
২.১৬ কোয়াসারভেট — (খ) ওপারিন
২.১৭ BOD — (চ) জলদূষণের মাত্রা পরিমাপ
২.১৮ কাজিরাঙা জাতীয় উদ্যান — (গ) একশৃঙ্গ গন্ডার সংরক্ষণ
একটি শব্দে/বাক্যে উত্তর:
২.১৯ টেস্টোস্টেরন (বাকি তিনটি হরমোন পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয়, কিন্তু টেস্টোস্টেরন শুক্রাশয় থেকে ক্ষরিত হয়)।
২.২০ মায়োলিন শিথ অন্তরক (insulator) হিসেবে কাজ করে এবং স্নায়ুস্পন্দন দ্রুত পরিবহনে সাহায্য করে।
২.২১ নিউক্লিয় পর্দার পুনরাবির্ভাব।
২.২২ YyRr।
২.২৩ অভিসারী বিবর্তন (Convergent evolution)।
২.২৪ ৯টি বায়ুথলি বা এয়ার স্যাক যুক্ত ফুসফুস।
২.২৫ বায়ুদূষণ (বাকি তিনটি বায়ুদূষণের ফল বা উপাদান)।
২.২৬ International Union for Conservation of Nature.
বিভাগ - গ (সংক্ষিপ্ত উত্তর)
৩.১ স্নায়ুতন্ত্র ও অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের পার্থক্য:
১. স্নায়ুতন্ত্রের ক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত, কিন্তু অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের (হরমোন) ক্রিয়া মন্থর।
২. স্নায়ুতন্ত্রের প্রভাব ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু হরমোনের প্রভাব সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘস্থায়ী।
৩.২ পিটুইটারিকে 'প্রভু গ্রন্থি' বলার কারণ:
পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনগুলি (যেমন- TSH, ACTH, GTH) অন্যান্য অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির (থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল, জননগ্রন্থি) ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই একে প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।
৩.৩ অন্ধবিন্দু: রেটিনা এবং অপটিক স্নায়ুর সংযোগস্থলে কোনো আলোকসুবেদী কোশ (রড ও কোন কোশ) থাকে না, ফলে এই স্থানে কোনো প্রতিবিম্ব গঠিত হয় না। চোখের এই অংশকে অন্ধবিন্দু বা Blind spot বলে।
৩.৪ DNA-এর কাজ:
১. জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলিকে এক জনু থেকে পরবর্তী জনুতে বহন করা।
২. কোশের সমস্ত বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।
৩.৫ ক্রসিং ওভারের গুরুত্ব: মায়োসিস বিভাজনে ক্রসিং ওভারের ফলে সমসংস্থ ক্রোমোজোমের নন-সিস্টার ক্রোমাটিড দুটির মধ্যে খণ্ড বিনিময় ঘটে। এর ফলে জিনের নতুন বিন্যাস বা রিকম্বিনেশন ঘটে, যা জীবদেহে নতুন প্রকরণ বা ভ্যারিয়েশন সৃষ্টি করে এবং বিবর্তনে সাহায্য করে।
৩.৬ ইতর পরাগযোগের সুবিধা:
১. নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন অপত্য উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
২. উৎপন্ন বীজগুলি উন্নত মানের হয় এবং এদের অঙ্কুরোদ্গমের হার বেশি হয়।
৩.৭ ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ:
কোনো জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বাহ্যিক প্রকাশকে ফিনোটাইপ বলে। অন্যদিকে, জীবের ওই ফিনোটাইপ নির্ধারণকারী জিনের গঠন বা বিন্যাসকে জিনোটাইপ বলে।
৩.৮ অসম্পূর্ণ প্রকটতা: দুটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যযুক্ত বিশুদ্ধ জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে F1 জনুতে প্রকট গুণটি সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ না পেয়ে যদি উভয় বৈশিষ্ট্যের একটি অন্তর্বর্তী বা মিশ্র বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটে, তাকে অসম্পূর্ণ প্রকটতা বলে। উদাহরণ: সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদের লাল ও সাদা ফুলের ক্রসে গোলাপি ফুল উৎপন্ন হওয়া।
৩.৯ স্বাধীন সঞ্চারণ সূত্র: দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যযুক্ত একই প্রজাতির দুটি জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে, উৎপন্ন অপত্যের জননকোশ গঠনের সময় প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নির্ধারণকারী জিন বা অ্যালিলগুলি কেবল জোড়ামুক্তই হয় না, উপরন্তু স্বাধীনভাবে যে-কোনো বিপরীত বৈশিষ্ট্যের জিনের সঙ্গে বিন্যস্ত হতে পারে।
৩.১০ নিষ্ক্রিয় অঙ্গ: জীবদেহে উপস্থিত যেসব অঙ্গ পূর্বপুরুষের দেহে সক্রিয় থাকলেও, বর্তমানে পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে ব্যবহার না থাকায় কর্মক্ষমতা হারিয়ে ক্ষুদ্র ও নিষ্ক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করে, তাদের নিষ্ক্রিয় বা ভেস্টিজিয়াল অঙ্গ বলে। উদাহরণ: মানুষের অ্যাপেনডিক্স (Appendix) বা কক্সিস।
৩.১১ জরায়ুজ অঙ্কুরোদ্গম: ফল গাছে যুক্ত থাকা অবস্থাতেই ফলের অভ্যন্তরে বীজের যে অঙ্কুরোদ্গম হয়, তাকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদ্গম বলে। লবণাক্ত মাটিতে অক্সিজেনের অভাব থাকায় বীজ মাটিতে পড়লে অঙ্কুরিত হতে পারে না, তাই সুন্দরী, গরান প্রভৃতি হ্যালোফাইট উদ্ভিদে এটি দেখা যায়।
৩.১২ অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম: ডারউইনের মতে, জ্যামিতিক হারে বংশবৃদ্ধির ফলে জীবের সংখ্যা বাড়লেও পৃথিবীতে খাদ্য ও বাসস্থান সীমিত। ফলে বেঁচে থাকার জন্য জীবদের নিজেদের মধ্যে বা অন্য প্রজাতির সাথে তীব্র প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হতে হয়, একেই অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম বলে।
৩.১৩ জৈব বিবর্ধন (Biomagnification): পরিবেশে উপস্থিত বিভিন্ন অভঙ্গুর রাসায়নিক পদার্থ (যেমন DDT, কীটনাশক) খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে এবং ট্রপিক লেভেল বা পুষ্টিস্তর বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রতিটি স্তরের জীবের কোশে বা কলায় ওই বিষাক্ত পদার্থের ঘনত্ব বা মাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই ঘটনাকে জৈব বিবর্ধন বলে।
৩.১৪ শব্দদূষণের প্রভাব:
১. ক্রমাগত অতিরিক্ত শব্দ শোনার ফলে মানুষের বধিরতা বা শ্রবণশক্তি হ্রাস পেতে পারে।
২. রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং হৃৎপিণ্ডের সমস্যা বা মানসিক অবসাদ দেখা দেয়।
৩.১৫ হটস্পট নির্ধারণের শর্ত:
১. ওই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে এন্ডেমিক (Endemic) বা স্থানীয় প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী থাকতে হবে, যা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।
২. ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য মানুষের কার্যকলাপ বা পরিবেশগত কারণে চরম বিপন্ন অবস্থার সম্মুখীন হতে হবে।
৩.১৬ ব্যাঘ্র প্রকল্পের উদ্দেশ্য:
১. বাঘের চোরাশিকার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা।
২. বাঘের স্বাভাবিক বাসস্থান সংরক্ষণ করা এবং তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
৩.১৭ কোর অঞ্চল ও বাফার অঞ্চল: বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের একদম ভিতরের সুরক্ষিত এলাকা হলো কোর অঞ্চল, যেখানে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আর কোর অঞ্চলের বাইরের দিককে বাফার অঞ্চল বলে, যেখানে গবেষণার কাজ ও পরিমিত মানুষের যাতায়াত অনুমোদিত।
বিভাগ - ঘ (রচনাধর্মী উত্তর)
(চিত্রাঙ্কন এবং বড় প্রশ্নগুলির উত্তর Bigyanbook-এর ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার্থে পয়েন্ট করে দেওয়া হলো। পরীক্ষার খাতায় এই পয়েন্টগুলি বিস্তারিতভাবে লিখতে হবে।)
৪.১ চিত্রাঙ্কন: (ছাত্রছাত্রীদের পাঠ্যবই থেকে মানুষের চোখের লম্বচ্ছেদ অথবা প্রাণী কোশের মেটাফেজ দশার ছবি প্র্যাকটিস করতে হবে এবং পয়েন্টগুলি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে।)
৪.২ হরমোনের ভূমিকা:
অক্সিন: উদ্ভিদের অগ্রস্থ প্রকটতা ঘটায় এবং কোষের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
জিব্বেরেলিন: বীজের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে অঙ্কুরোদ্গমে সাহায্য করে এবং পর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে।
সাইটোকাইনিন: কোশ বিভাজন ত্বরান্বিত করে এবং পত্রমোচন বিলম্বিত করে বার্ধক্য রোধ করে।
সাইন্যাপস: দুটি নিউরোনের সংযোগস্থল, যেখানে একটি নিউরোনের অ্যাক্সন শেষ হয় এবং পরের নিউরোনের ডেনড্রন শুরু হয়, কিন্তু তারা একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না, সেই ফাঁকা স্থানকে সাইন্যাপস বা প্রান্তসন্নিকর্ষ বলে। এখান দিয়ে নিউরোট্রান্সমিটারের সাহায্যে স্নায়ুস্পন্দন পরিবাহিত হয়।
অথবা, কোশচক্র:
কোশচক্র প্রধানত দুটি দশায় বিভক্ত: ইন্টারফেজ এবং মাইটোটিক (M) ফেজ। ইন্টারফেজ আবার G1, S এবং G2 দশায় বিভক্ত। G1 দশায় কোশের বৃদ্ধি ঘটে, S দশায় DNA সংশ্লেষিত হয় এবং G2 দশায় বিভাজনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলে। M ফেজে প্রকৃত কোশ বিভাজন (প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ) সম্পন্ন হয়।
G0 দশা: কোশচক্রের G1 দশা থেকে যেসব কোশ আর বিভাজিত না হয়ে একটি নিষ্ক্রিয় অবস্থায় চলে যায়, সেই দশাকে G0 দশা বলে (যেমন- স্নায়ুকোশ)।
৪.৩ একসংকর জনন (গিনিপিগ):
বিশুদ্ধ কালো (BB) গিনিপিগের সাথে বিশুদ্ধ সাদা (bb) গিনিপিগের ক্রস করালে F1 জনুতে সকল গিনিপিগ সংকর কালো (Bb) হবে। এরপর F1 জনুর নিজেদের মধ্যে ক্রস (Bb x Bb) করালে চেকার বোর্ডের সাহায্যে দেখা যায় F2 জনুতে ফিনোটাইপ অনুপাত হবে ৩ (কালো) : ১ (সাদা)।
সূত্র: এই পরীক্ষা থেকে মেন্ডেলের প্রথম সূত্র বা 'পৃথগভবন সূত্র' (Law of Segregation) তে উপনীত হওয়া যায়।
অথবা, লিঙ্গ নির্ধারণ:
পিতার সেক্স ক্রোমোজোম XY এবং মাতার XX। যখন জননকোশ তৈরি হয়, মাতা কেবল X ক্রোমোজোম যুক্ত ডিম্বাণু উৎপন্ন করে। কিন্তু পিতা দুই ধরনের শুক্রাণু উৎপন্ন করে— X এবং Y।
যদি পিতার X শুক্রাণু মাতার X ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তবে সন্তান হবে XX (কন্যা)।
যদি পিতার Y শুক্রাণু মাতার X ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তবে সন্তান হবে XY (পুত্র)।
যেহেতু মাতার কাছে কেবল X ক্রোমোজোম থাকে, তাই কন্যাসন্তান বা পুত্রসন্তান হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ নির্ভর করে পিতার কোন শুক্রাণুটি (X না Y) ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করছে তার ওপর। তাই পিতার ভূমিকাই প্রধান।
৪.৪ ঘোড়ার বিবর্তন:
ইওহিপ্পাস (আদিমতম): শেয়ালের মতো আকার, অগ্রপদে ৪টি এবং পশ্চাৎপদে ৩টি আঙুল।
মেসোহিপ্পাস: আকার একটু বড়, পায়ে ৩টি করে আঙুল, মাঝের আঙুলটি বড়।
মেরিচিপ্পাস: এদের আকার আরও বৃদ্ধি পায়, পায়ের মাঝের আঙুলটি খুরে পরিণত হতে শুরু করে।
প্লিওহিপ্পাস: আধুনিক ঘোড়ার খুব কাছাকাছি, তৃতীয় আঙুলটি সম্পূর্ণ খুরে পরিণত হয়, বাকিগুলি নিষ্ক্রিয়।
ইকুয়াস (আধুনিক ঘোড়া): দীর্ঘাকার, শক্ত খুর, দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা এবং ঘাস চিবানোর জন্য উপযুক্ত দাঁত।
অথবা, ডারউইনের তত্ত্ব (জিরাফ):
ডারউইনের মতে, পৃথিবীতে আগে লম্বা গলা এবং ছোট গলা—উভয় প্রকার জিরাফই ছিল (প্রকরণ)। অস্তিত্বের জন্য সংগ্রামের ফলে যখন নিচুতলার ঘাস বা পাতা শেষ হয়ে যায়, তখন উঁচু গাছের পাতা খাওয়ার জন্য লম্বা গলার জিরাফেরা বেশি সুবিধা পায়। প্রকৃতি কেবল লম্বা গলার জিরাফদেরই যোগ্যতম হিসেবে নির্বাচন করে (প্রাকৃতিক নির্বাচন) এবং ছোট গলার জিরাফেরা ধীরে ধীরে অবলুপ্ত হয়ে যায়।
সমসংস্থ ও সমবৃত্তীয় পার্থক্য:
১. সমসংস্থ অঙ্গের উৎপত্তি ও অভ্যন্তরীণ গঠন এক, কিন্তু সমবৃত্তীয় অঙ্গের উৎপত্তি ও গঠন আলাদা।
২. সমসংস্থ অঙ্গ অভিসারী বিবর্তনের নির্দেশক নয় (এটি অপসারী বিবর্তন), কিন্তু সমবৃত্তীয় অঙ্গ অভিসারী বিবর্তনের নির্দেশক।
৪.৫ জলদূষণের কারণ:
১. কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক বৃষ্টির জলে ধুয়ে জলাশয়ে পড়লে।
২. শিল্পকারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ (পারদ, সিসা, ক্রোমিয়াম) সরাসরি নদীতে বা সমুদ্রে মিশলে।
৩. গৃহস্থালির আবর্জনা, ডিটারজেন্ট এবং পয়ঃপ্রণালীর দূষিত জল জলাশয়ে পড়লে।
অ্যালগাল ব্লুম: জলে কৃষিজ সার (ফসফেট, নাইট্রেট) বা ডিটারজেন্ট মেশার ফলে জলের পুষ্টিগুণ বেড়ে যায় (ইউট্রোফিকেশন), যার ফলে জলাশয়ের ওপর শৈবালের অতিবৃদ্ধি ঘটে এবং পুরো জল সবুজ স্তরে ঢেকে যায়। একেই অ্যালগাল ব্লুম বলে, এর ফলে জলে অক্সিজেনের তীব্র অভাব ঘটে।
অথবা, নাইট্রোজেন চক্রে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা:
১. নাইট্রোজেন আবদ্ধকরণ: রাইজোবিয়াম (Rhizobium) বা অ্যাজোটোব্যাক্টর সরাসরি বায়ু থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে মাটিতে মেশায়।
২. অ্যামিনিফিকেশন: ব্যাসিলাস মাইকয়ডিস (Bacillus mycoides) মৃত জীবদেহকে বিশ্লিষ্ট করে অ্যামোনিয়ায় পরিণত করে।
৩. নাইট্রিফিকেশন: নাইট্রোসোমোনাস (Nitrosomonas) অ্যামোনিয়াকে নাইট্রাইটে এবং নাইট্রোব্যাক্টর (Nitrobacter) নাইট্রাইটকে নাইট্রেটে পরিণত করে।
৪. ডিনাইট্রিফিকেশন: সিউডোমোনাস (Pseudomonas) বা থায়োব্যাসিলাস মাটির নাইট্রেটকে ভেঙে পুনরায় নাইট্রোজেন গ্যাসে পরিণত করে বায়ুমণ্ডলে ফিরিয়ে দেয়।
৪.৬ জীববৈচিত্র্য হ্রাসের কারণ:
১. বাসস্থান ধ্বংস ও খণ্ডীভবন: ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, কৃষিকাজ এবং নগরায়ণের জন্য বনজঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে, ফলে প্রাণীদের বাসস্থান নষ্ট হচ্ছে।
২. চোরাশিকার: অসাধু মানুষেরা দামি চামড়া, শিং, দাঁতের লোভে বাঘ, গন্ডার, হাতি প্রভৃতি প্রাণী অবাধে হত্যা করছে।
৩. দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন: বিশ্ব উষ্ণায়ন ও দূষণের ফলে পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অনেক সংবেদনশীল প্রজাতি (যেমন- মেরুভল্লুক, প্রবাল) বিলুপ্ত হচ্ছে।
ভারতের বিপন্ন প্রাণী: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এবং একশৃঙ্গ গন্ডার।
অথবা, ন্যাশনাল পার্ক ও স্যাংচুয়ারির পার্থক্য:
১. ন্যাশনাল পার্ক বা জাতীয় উদ্যান কেন্দ্রীয় সরকারের আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, কিন্তু স্যাংচুয়ারি বা অভয়ারণ্য রাজ্য সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
২. ন্যাশনাল পার্কে সাধারণ মানুষের প্রবেশ, কাঠ কাটা বা পশুচারণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, কিন্তু অভয়ারণ্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে সীমিতভাবে এগুলি করা যায়।
৩. ন্যাশনাল পার্কের আয়তন সাধারণত অভয়ারণ্যের থেকে অনেক বড় হয় এবং এখানে সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষিত হয়।
PBR-এর গুরুত্ব: PBR (People's Biodiversity Register) হলো একটি সরকারি নথি, যেখানে স্থানীয় উদ্ভিদ ও প্রাণীদের প্রজাতি, তাদের ঐতিহ্যগত ব্যবহার এবং সংরক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে স্থানীয় মানুষদের জ্ঞান লিপিবদ্ধ থাকে। এটি জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে নীতি নির্ধারণ করতে এবং বায়োপাইরেসি রোধ করতে সাহায্য করে।
বাকি ১০টি Premium Set PDF আকারে পেতে ওপরের WhatsApp লিংকে ক্লিক করে মেসেজ করো!
